গাজীপুরে হিটলারের অবৈধ ওয়াশিং কারখানার দূষণ অব্যাহত, কর্তৃপক্ষ নীরব
ঘটনার আড়ালে প্রতিবেদন : গাজীপুরে আবাসিক এলাকায় অবৈধ এইচ আর সিরাজগঞ্জ ওয়াশিং কারখানার দূষণ অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগ ওঠার প্রায় দুই মাস পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
নগরীর চান্দনা চৌরাস্তা সড়কের পাসপোর্ট অফিস পার হয়ে পশ্চিম দিকে সড়কটির দক্ষিণ পাশে নলজানি এলাকার আবাসিক ব্লক। সেখানকার মৃত্তিকা টাওয়ার ও প্লাটিনাম টাওয়ারের মাঝখানে প্রবাসী সোলায়মান হোসেনের প্লট ভাড়া নিয়ে কারখানাটি স্থাপন করা হয়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, সাইনবোর্ডবিহীন ওই কারখানার মালিক সিরাজগঞ্জের মো. হিটলার। গত প্রায় আট মাস ধরে দিন-রাত কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে চারটি মেশিনে কাপড় ওয়াশিং করে পোশাক কারখানায় সরবরাহ করা হচ্ছে।
কারখানাটির চারদিকেই আবাসিক ভবন। কারখানার ডাস্ট-জাতীয় বর্জ্য পশ্চিম পাশ দিয়ে নির্গত হয়। মেশিনগুলো চলার সময় সৃষ্টি হয় শব্দদূষণ। ছড়িয়ে পড়ে ওয়াশিংয়ে ব্যবহৃত কেমিক্যালের দুর্গন্ধ।
এতে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন পশ্চিম পাশের মীর জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ির ভাড়াটিয়ারা। তাদের সংখ্যা শিশুসহ অর্ধশত। দেখা দিচ্ছে রোগব্যাধি।
কারখানাটির সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স, কারখানা স্থাপনের অনাপত্তিপত্র, অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র-কিছুই নেই। এরপরও কারখানা পরিচালনায় কোনো সমস্যা হচ্ছে না। এটা জেলা পরিবেশ কার্যালয় থেকেও কাছে।
ভুক্তভোগী মীর জাহাঙ্গীর আলম গত ৫ জুলাই জেলা পরিবেশ কার্যালয়ের উপপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। পরে পরিদর্শক উম্মে হাবিবা আজ জোহরা কারখানায় গিয়ে পরিবেশগত ছাড়পত্র ব্যতীত কার্যক্রম না চালানোর নির্দেশনা দেন। কিন্তু মালিক কার্যক্রম বন্ধ করেননি।
বিষয়টির ওপর ঘটনার আড়ালের গত ৩ আগস্টের সংখ্যায় একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তখন জেলা পরিবেশ কার্যালয়ের উপপরিচালক আরেফিন বাদল খোঁজ নিয়ে দেখবেন বললেও অদ্যাবধি কোনো তৎপরতার খবর পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন : গাজীপুরে আবাসিক এলাকায় অবৈধ ওয়াশিং কারখানা, দূষণে বাসিন্দারা অতিষ্ঠ



